দেশ

BCCI- এর নতুন প্রেসিডেন্ট হিসাবে নিয়োজিত হতে চলেছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী…


ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী ভারতীয় ক্রিকেট টিমকে এক নতুন জীবন দান করেছিলেন। গত 2000 সালের পরবর্তী ব্যাটিং কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত ভারতীয় দলকে প্রায় একার হাত ধরে তেনে তুলে গোটা বিশ্ব ক্রিকেটে আবারো পুনর্জীবিত করে তুলেছিলেন বাংলা দাদা তথা সৌরভ গাঙ্গুলী। আর দাদার পরবর্তী ঘটনা তো সবার সামনেই ইতিহাস হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। যতদিন ভারতীয় ক্রিকেট দল থাকবে ততদিন সৌরভ গাঙ্গুলীর নাম সম্মানের সাথে উচ্চারিত করা হবে এ কথা বললেও ভুল হবে না।

এখন যে খবরটি সৌরভ গাঙ্গুলীকে নিয়ে বেরিয়ে আসছে সেটি শুনে সকল বাঙালি সহ ক্রিকেটপ্রেমীরাও খুশি হয়ে যাবেন।তাকে নিয়ে যে খবরটি এখন বেরিয়ে আসছে সেটি থেকে জানতে পারা যাচ্ছে টিম ইন্ডিয়ার এই প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী এবার বিসিসিআইয়ের নতুন বস হতে পারেন। প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী গাঙ্গুলী বিসিসিআইয়ের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে পারেন আর তার বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হওয়ার রাস্তাও পরিস্কার হয়ে গিয়েছে।

সম্প্রতিই সুপ্রিম কোর্ট লোধা কমিটির কিছু সুপারিশকে আলাদা করে আর কিছু পরিবর্তন করে নতুন সংবিধানকে মঞ্জুরী দিয়েছিল। সেই কারণেই গাঙ্গুলীর বিসিসিআই সভাপতি হওয়ার রাস্তা পরিস্কার হয়ে গিয়েছে।তবে যেমন কি আমরা জানি বর্তমানে সৌরভ গাঙ্গুলী বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (সিএবি) এর প্রেসিডেন্ট রূপে নিয়োজিত রয়েছেন আর এখন যদি তিনি সেই পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেন তো তিনি বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট পদের জন্য যোগ্য হয়ে যাবেন।

BCCI এর এক সিনিয়র আধিকারিক বলেছেন যে সৌরভ গাঙ্গুলী এই পদের জন্য একদমই যোগ্য আর তিনি সমস্ত দিক থেকে এই পদের জন্য উপযুক্ত রয়েছেন। তবে সৌরভ গাঙ্গুলী বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হন তো তাকে দু বছর পরই এই পদকে ছাড়তে হবে। কারণ নতুন নিয়মের মোতাবেক কোনো ব্যক্তি বিসিসিআইয়ে লাগাতার 6 বছর পর্যন্ত কোনো প্রশাসনিক পদে থাকতে পারেন। অন্যদিকে সূত্রের অনুসারে এই খবরও রয়েছে যে গাঙ্গুলী তখনই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন লড়বেন যখন তার বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থী না দাঁড়ান।বছরের শুরুতেই সৌরভ গাঙ্গুলীকে এক ইন্টারভিউতে বলতে লক্ষ্য করা যায় যে একজন খেলোয়াড় ভালো প্রশাসক প্রমাণিত হতে পারবেন তবে এটা পুরোপুরি নির্ভর করবে তিনি কতটা সময় দিতে পারবেন সেখানে।

এছাড়াও একজন প্রশাসক হিসেবে আপনি কি করতে চলেছেন এটাই যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায় তখন। গাঙ্গুলী বলেছিলেন যে যিনি খেলোয়াড় নন তিনিও ভাল প্রশাসক হতে পারেন কিন্তু আমার মনে হয় দুজনের মধ্যে ভারসাম্য থাকাটা উচিৎ। দুজনের জন্যই সিস্টেমে জায়গা রয়েছে আর এটা ভীষণই জরুরী। কোর্টের নির্দেশের পর লোধা কমিটির সেই সুপার চালু হয়ে গিয়েছে যেখানে বলা হয়েছে যে বোর্ড প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য দুটি এজিএমে শামিল হওয়ার বাধ্যকতা নেই। এর মানে এটাই যে, যে কোনো নতুন মুখ কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ সামলাতে পারেন।

Related posts

Close