দেশ

কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের সাথে তাল মিলিয়ে ছিল তুষ্কর, এবার তারাই পাল্টা জবাব দিল ভারত…


কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছিল তুরস্ক। এবার তারই পাল্টা জবাব দিল ভারত। সিরিয়ার কুর্দ বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে তুরস্কের ফৌজী অভিযানের নিন্দা করল নয়াদিল্লি। এ বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সদ্য উত্তরপূর্ব সিরিয়ার মার্কিন মদত পুষ্ট কুর্দিশ বাহীনি ‘সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস’-এর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে দিয়েছে তুরস্কর সেনাবাহিনীরা। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন পিস স্প্রিং’। আঙ্কারার দাবি, এসডিএফ এর ‘ওয়াইপিজি’ সশস্ত্র বাহিনীর তুরস্কে ‘পিকেকে’।

এ বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। এই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, একতরফা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে তুরস্কর। তাদের উচিত কাজ হলো প্রতিবেশী দেশের সার্বভৌমত্বকে বজায় রাখা। আঙ্কারার এহেন পদক্ষেপের ফলে এই অঞ্চল আরও অস্থির হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই অনেকটাই ধাক্কা খাবে। শুধু তাই নয় এর ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন 370 ধারা তুলে নেওয়ার পর কাশ্মীরের সাথে একমত হয়েছিলেন তুরস্ক তাই ভারত তুরস্ককে চাপে রেখে এর প্রতিশোধ নিলো।

সিরিয়ার কুর্দ বিদ্রোহীদের নিয়ে আঙ্কারার কতটা মাথা ব্যাথা তা ভারত খুব ভালোভাবেই জানে। ফলে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসিপ তায়েপকে দুর্বল জায়গায় চাপ দিয়ে রেখে কূটনৈতিক দিক থেকে এগিয়ে থাকতে চাইছে মোদি সরকার। অপরদিকে এসডিএফ এর মুখপাত্র মুস্তাফা আলী জানিয়েছেন যে, তাদের দখলে থাকা এলাকায় তুরস্কর বিমান এবং গোলন্দাজ বাহিনী তাদের উপর লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। আপাতত সমস্ত শক্তি দিয়ে তুরস্কের আক্রমন থেকে বাঁচায় হলো তাদের প্রধান উদ্দেশ্য।

এদিকে তুরস্কের বিদেশমন্ত্রী মেভলাট কাভুসগলু সাফ জানিয়ে দেন,’ যতদিন না সিরিয়ার মাটিতে জঙ্গিদের শেষ করা হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত তুরস্ক বাহিনীরা থামবে না।’ প্রসঙ্গত গত বছরের শেষের দিকে পশ্চিম এশিয়ার নয়া সমীকরণ গঠন করে সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা করে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সন্ত্রাসে জর্জরিত দেশটিতে পরাজয় হয়েছে আন্তর্জাতিক জঙ্গী সংগঠন ইসলামিক স্টেটের। তাই ওই দেশে যে সমস্ত মার্কিন সেনারা মোতায়েন করা ছিল তাদেরকে ডেকে নেওয়া হবে। এর ফলে বিশেষজ্ঞদের মতে আমেরিকার সেনা প্রত্যাহার করার পর আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠবে রাশিয়া ও ইরান।

Related posts

Close