রাজনীতি

৫৪০০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের ব্লু প্রিন্ট কি তৈরী মোদী সরকারের ? এটাই কি তবে "আচ্ছে দিন"? প্রশ্ন মানুষের


ওয়েব ডেস্ক ২৪শে  জুন ২০১৯: নরেন্দ্র মোদী ২০১৪ তে সরকারে আসার আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বছরে দুকোটি বেকারকে চাকরি দেবেন । প্রতিশ্রুতি তো রাখতেই পারেননি , উল্টে  স্রোত উল্টো দিকে বইতে  শুরু করেছে  । ভোটের বাজার বলে তখনি কিছু করেনি  এবার কি করে সেটাই দেখার  ।প্রসঙ্গত দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক মন্দায় ধুকছে এই টেলিকম সংস্থাটি। সেজন্য সংস্থার হাল ফেরাতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছিল বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ।

বিরোধীদের অভিমত বেসরকারি টেলিকম কোম্পানি গুলিকে সুবিধে পাইয়ে দেওয়ার জন্যই এতদিন ধরে বিএসএনএল এর উন্নতর  পরিষেবার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি মোদী সরকার তা যদি নিত ছাঁটাইয়ের বদলে আরও কর্ম সংস্থান হত ।বিএসএনএল-এর বাজেট ও ব্যাংকিং ডিভিশনের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার পুরন চন্দ্রা জানিয়েছেন, ‘প্রতি মাসে রেভিনিউ ও খরচের মধ্যে বিপুল ফারাক এসে দাঁড়িয়েছে। আর্থিক সাহায্য় এখনই না এলে খরচ চালানো প্রায় অসম্ভব।’ এই বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে পরামর্শ চেয়েছে বিএসএনএল। কোটাক ইনস্টিটিউশনাল ইক্যুইটির হিসেব অনুযায়ী ২০১৮-র ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএসএনএল-এর ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৯০,০০০ কোটি টাকা।দ্রুত অর্থ সাহায্য না করলে খরচ চালানো অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। কর্মীদের বেতন বাবদ ৮৫০ কোটি টাকা-সহ ১৩,০০০ কোটি টাকার বিপুল খরচ আর টানা যাচ্ছে না বলে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন এই বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ। গত কয়েক বছর ধরেই বিএসএনএল-এর গ্রাফ নিম্নমুখী। অতিরিক্ত কর্মচারীর বিপুল মাইনে, খারাপ ম্যানেজমেন্ট, অকারণ সরকারি হস্তেক্ষেপের জেরে ধুঁকছে এই সরকারি সংস্থা। বিএসএলএল-এর মোবাইল সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা বাজারের মোটে ১০%।

Related posts

Close