রাজনীতি

বুদ্ধিজীবীরা সবাই এক যোগে এই ভয়ঙ্কর অবস্থায় মমতার পাশে থাকার ডাক দিলেন


ওয়েব ডেস্ক ১৪ই মে ২০১৯:মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে মোদির অপশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন , তাতে আর যায় হোক হোক না কেন ,সব বিদ্যজ্জনেদের এক ছাতার তলায় নিয়ে এসেছে, আর এটাই সব থেকে বড় ইতিবাচক দিক  । এতে তথাকথিত বামেদের ক্যাডার বাহিনী যাদের আবার আলিমুদ্দিন বুদ্ধিজীবী নাম দিয়েছে তারা অবশ্য দূরত্বই বজায় রেখেছে এই বৈঠক থেকে, কেননা এতে কাস্তে হাতুড়ির কোনো লাভ নেই বলে । প্রসঙ্গত মোদি জমানায় বাংলা–‌সহ গোটা দেশ বিপন্ন। এক ভয়ঙ্কর বিপদের মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে মনে করছেন পশ্চিমবঙ্গের বুদ্ধিজীবীরা। তাঁদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যেভাবে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের সব স্তরের নাগরিককে তাঁর পাশে থাকা দরকার।

সোমবার প্রেস ক্লাবে শুভাপ্রসন্ন, শাঁওলি মিত্র, জয় গোস্বামী, কবীর সুমন, হোসেনুর রহমান, আবুল বাশার, সুবোধ সরকার, নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ি, অরিন্দম শীল, ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্যর মতো বেশ কয়েকজন বুদ্ধিজীবী সাংবাদিক– বৈঠক ডেকে আবেদন করেছেন, বিজেপির এই ফ্যাসিস্ট অপশক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে। একক প্রচেষ্টায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি যেভাবে মানুষকে সচেতন করছেন, তাতে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এঁরা। বৈঠকের শুরুতেই চিত্রশিল্পী শুভাপ্রসন্ন বলেন, ‘‌এক ধরনের ভয়, ত্রাসের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই ভয়ঙ্কর সময়ে আমাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলতে আমরা এখানে এসেছি। বাংলার সংস্কৃতি বোঝে না যাঁরা, দাপাদাপি করছে রাজ্যজুড়ে। এত উগ্রতা আগে কখনও দেখিনি। মমতার মতো একজন মহিলা মাথা তুলে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করছেন। তাঁর ওপর আস্থা রাখা দরকার।’‌ নাট্যাভিনেত্রী শাঁওলি মিত্র বলেছেন, ‘‌এই রাজনৈতিক লড়াইয়ে এককভাবে প্রতিবাদ করে যাচ্ছেন মমতা ব্যানার্জি। তাঁকে সমর্থন করাই উচিত আমাদের সবার।’‌ কবি সুবোধ সরকারের কথায়, ‘‌ভারতবর্ষের মানুষ চায় না মোদি ফিরে আসুক। ভারতকে দ্বিখণ্ডিত করছেন ওঁরা। এই লুণ্ঠনকারী দল দেশের বড় বিপদ আমাদের সামনে।’‌ কবি জয় গোস্বামীর বক্তব্য, ‘‌সাম্প্রদায়িকতার বীজ ছড়িয়ে ভেদাভেদের রাজনীতি করছে বিজেপি। সবাই একযোগে মমতার পাশে , সবারই ইচ্ছে এবার কোনো বাঙালি প্রধানমন্ত্রী হোক ।

Related posts

Close